নিজস্ব প্রতিবেদক–মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ৩৬/১৯৯৬ নং আদেশে ঢাকেশ্বরী মন্দির পরিচালনা বিষয়ে একজনকে মন্দির পরিচালনার দায়িত্ব সহ একটি দিক নির্দেশনামূলক আদেশে দিয়েছিলেন।

দায়িত্ব প্রাপ্ত ব্যক্তি মৃত্যুর পড়ে বিভিন্ন জেলা হতে আগত অতি উৎসাহী কিছু এলিট শ্রেণীর দুর্নীতিগ্রস্ত হিন্দু সংঘবদ্ধ চক্র স্বেচ্ছায় মন্দিরের দায়িত্ব নিয়ে মন্দিরের নামে চাঁদাবাজি/অনুদানের অর্থ বিদেশে প্রাচার/মন্দিরে পবিত্রতা নস্ট/পূজায় বিগ্ন সৃষ্টি/মন্দির অভ্যান্তরে রাজনৈতিক ও সংঘটনিক কার্যকলাপ আরম্ভ করেন।

এমত অবস্থায় শ্রী শ্রী ঢাকেশ্বরী মন্দিরের অস্তিত্ ও পবিত্রতা রক্ষার্থে মন্দিরের জমিদাতা পরিবারের সদস্য পল্টন দাস

*ঢাকেশ্বরী মন্দির পরিচালনায় সরকারি হস্তক্ষে।

* মন্দিরের চলমান সকল দুর্নীতি বন্ধের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ।

* পল্টন দাসকে সেবাযেত নিয়োগের জন্য উচ্চ আদালতে ৭৪৭৬/২০১৮নং রিট পিটিশন দায়ের করেন।

আদালত রাষ্ট্রপক্ষ সহ সকল পক্ষের শুনানি শেষে উক্ত মন্দিরের বিষয়ে একটি রুল আদেশ জারি করেন। তৎকালীন প্রায় ১৪/১৫ টি জাতীয় দৈনিক পত্রিকা প্রকাশিত হয়েছে।

পল্টন দাস কে ঢাকেশ্বরী মন্দিরের সেবাযেত হিসাবে পুনঃবহালের দাবিতে বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠন বিভিন্ন স্থানে সভা সমাবেশ আন্দোলন করার পরেও একটি বিশেষ মহলের অপচেষ্টায় সরকারি কোনো হস্তক্ষেপ বা সহযোগিতা পাননি বলে ঢাকেশ্বরী মন্দির এলাকার স্থানীয় হিন্দুরা জানায়।

ঢাকেশ্বরী মন্দির প্রসঙ্গে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায় আদালতের রুল আদেশ চলমান অবস্থায়, আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের পূর্বে ২২/০৭/২০২৩ ইং তারিখে পূজা উদযাপন পরিষদ ও ঐক্য পরিষদের নেতারা স্থানীয় ও ঢাকেশ্বরী মন্দিরের যাদের জমি সংক্রান্ত সম্পৃক্ততা রয়েছে তাদের সম্পৃক্ত না করেই কেবলমাত্র হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ ও পূজা উদযাপন পরিষদের নেতাদের সম্পৃক্ততায় হাজার বছরের পুরাতন মন্দিরে প্রশ্নবিদ্ধ পরিচালনা কমিটি গঠন করে মন্দিরের পবিত্রতা নষ্ট করছে মর্মে অভিযোগ পাওয়া যায়।

এই প্রসঙ্গে রিট পিটিশনকারী পল্টন দাস জানান, ঢাকেশ্বরী মন্দির দেশের জাতীয় সম্পদ, এই জাতীয় প্রতিষ্টান নিয়ে কোন বিতর্ক রাষ্ট্রের জন্য লজ্জাজনক, আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত থাকবে এই মন্দির পরিচালনায় সরকারি হস্তক্ষেপ এবং মন্দিরের অনুদানের টাকা বিদেশে প্রচারকারী দুর্নীতিবাজদের বিষয়ে সরকার পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।

এই প্রসঙ্গে পল্টন দাস ও দুদকের আইনজীবী অ্যাডভোকেট খুরশিদ আলম খান জানান ঢাকেশ্বরী মন্দিরের দুর্নীতির বিষয়টি উচ্চ আদালতের নজরে রয়েছে চূড়ান্ত শুনানি শেষে একটি রেজাল্ট আসবে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়- আদালতে দুর্নীতি সংক্রান্ত রুল আদেশ চলমান থাকার পরেও প্রায় অর্ধশত কোটি টাকা ব্যয় করে মন্দির অভ্যন্তরে বাণিজ্যিক ভবন বানানোর কাজ চলছে।এবং মন্দির পরিচালনা সংক্রান্ত রুল আদেশ চলমান যেনেও পরিচালনা কমিটি গঠন করে আদালত কে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে।

ঢাকেশ্বরী মন্দিরের জমি সংক্রান্ত ওয়ারিশ পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের কিছু নেতাদের সাথে আইনি জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে বলে স্থানীয় হিন্দু মুসলিম বাসিন্দারা অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You missed